সাধারণ ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারির এক নির্ভরযোগ্য নাম ডা. মোস্তাক আহমেদ
এফসিপিএস (সার্জারি)
জেনারেল ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা
ডা. মোস্তাক আহমেদ বাংলাদেশের চিকিৎসা অঙ্গনে একজন অত্যন্ত দক্ষ, অভিজ্ঞ এবং প্রথিতযশা জেনারেল ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মতো ঐতিহ্যবাহী ও বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে তিনি দেশ-বিদেশের হাজার হাজার রোগীকে সফলভাবে অস্ত্রোপচার সেবা প্রদান করে চলেছেন। আধুনিক সার্জিক্যাল কৌশল এবং রোগীকেন্দ্রিক যত্নের সমন্বয়ে তিনি নিরাপদ, কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা প্রদানে সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।
১০০০০+ সন্তুষ্ট রোগীর আস্থাভাজন ল্যাপারস্কপিক বিশেষজ্ঞ।
বিশেষ দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ক্ষেত্র
ডা. মোস্তাক আহমেদ তাঁর বিস্তৃত কর্মজীবনে বিশেষত ল্যাপারোস্কোপিক (মিনিমাল ইনভেসিভ) সার্জারিতে অসাধারণ দক্ষতা অর্জন করেছেন, যা তাঁকে এই ক্ষেত্রে দেশের শীর্ষস্থানীয় সার্জনদের মধ্যে অন্যতম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। তাঁর বিশেষ দক্ষতার ক্ষেত্রগুলো হলো:
- জটিল পেট ব্যথা ও সার্জিক্যাল রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা।
- ল্যাপারোস্কোপিক কোলেসিস্টেক্টমি (পিত্তথলি অপারেশন): পিত্তপাথর বা পিত্তথলির অন্যান্য সমস্যার আধুনিক সমাধান।
- হার্নিয়া রিপেয়ার (Hernia Repair): ইনগুইনাল, অ্যাম্বিলিকাল বা ইনসিসনাল হার্নিয়ার ল্যাপারোস্কোপিক ও ওপেন সার্জারি।
- ল্যাপারোস্কোপিক অ্যাপেন্ডিসেক্টমি (অ্যাপেন্ডিসাইটিস অপারেশন)।
- বিভিন্ন ধরনের গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সার্জারি।
- ক্যান্সার স্ক্রিনিং ও সার্জিক্যাল অনকোলজি (প্রাথমিক পর্যায়)।
আধুনিক চিকিৎসা কৌশল ও রোগীর সুবিধা
ডা. মোস্তাক আহমেদ রোগীর সুস্থতা এবং দ্রুত আরোগ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন। তিনি সর্বদা আধুনিক মেডিকেল প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক মানের সার্জিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করেন। এর মূল উদ্দেশ্য হলো:
• কম ব্যথা এবং অস্বস্তি: ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতির কারণে অস্ত্রোপচারের পর রোগীর ব্যথা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।
• কম জটিলতা এবং সংক্রমণ ঝুঁকি: ছোট কাটার কারণে জটিলতা ও সংক্রমণের ঝুঁকি কম থাকে।
• দ্রুত আরোগ্য: দ্রুত হাসপাতাল থেকে ছুটি এবং দৈনন্দিন জীবনে দ্রুত ফিরে আসার নিশ্চয়তা।
• ন্যূনতম ক্ষতচিহ্ন (Scarring): নান্দনিকতার দিকে লক্ষ্য রেখে ছোট কাটার মাধ্যমে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা।
ব্যক্তিগতকৃত যত্ন ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি
ডা. মোস্তাক আহমেদ বিশ্বাস করেন যে, প্রতিটি রোগীই স্বতন্ত্র এবং তার চিকিৎসা পরিকল্পনাও হওয়া উচিত ব্যক্তিগতকৃত। তিনি প্রতিটি রোগীর উপসর্গ, শারীরিক অবস্থা, চিকিৎসা ইতিহাস এবং চাহিদা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে একটি সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা ও সার্জারি পরিকল্পনা তৈরি করেন। তার চিকিৎসা পরিষেবার মূল ভিত্তি হলো: মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব এবং রোগীর প্রতি আন্তরিক ও সহানুভূতিশীল সেবা। তিনি রোগীর পরিবারের সাথেও বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং সার্জারির প্রতিটি ধাপ সম্পর্কে তাদের অবগত করেন, যাতে রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো উদ্বেগ না থাকে।
যোগাযোগ করুন
আপনার বা আপনার প্রিয়জনের যদি কোনো সার্জিক্যাল পরামর্শ বা চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, তাহলে ডা. মোস্তাক আহমেদের বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণের জন্য আজই যোগাযোগ করুন।